নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় বাংলাদেশ।
রোববার সকালে সাভার সেনানিবাসে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। একটি বাহিনীর প্রকৃত শক্তি শুধু অস্ত্র ও জনবলে নয়; বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা এবং জনগণের আস্থার মধ্যে নিহিত। এ ক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে বাঙালি সেনাসদস্যদের সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এখন জাতীয় প্রতিরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাহিনীর সদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও অবসর-পরবর্তী নিরাপত্তার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাঁর দাবি, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সাতটি সামরিক ইউনিট ও রেজিমেন্টকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান, মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted ৭:৩৯ এএম | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
9 News Bd | s s


