নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, চেতনা ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তা সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ‘বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতি’ শীর্ষক আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচার ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাস সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে মানুষ অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতা, শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুরসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ আন্দোলন গড়ে ওঠে। সম্মিলিত আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।
আন্দোলনে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে নিতাই রায় চৌধুরী আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীসহ আত্মত্যাগকারী সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও মূল্যবোধ সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী আর্ট ক্যাম্পে প্রদর্শিত বিভিন্ন চিত্রকর্ম ঘুরে দেখেন এবং অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেন।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা চিত্রশিল্পীরা অংশ নেন। তাঁদের আঁকা চিত্রকর্মে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা, ছাত্র-জনতার সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, সাহস এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Posted ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
9 News Bd | s s