নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায়। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭১ জনে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯০২ জন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ এবং চারজন নারী। চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৪৮ শতাংশ এবং নারী ৫২ শতাংশ।
বুলেটিনে বলা হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৯০২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৮ হাজার ৩৬০ জন।
একই সময়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৮৮ জন। এ পর্যন্ত চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ৮২ হাজার ৩৩৫ জন।
নতুন রোগী ভর্তির হিসাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগে ৪০১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর পরেই খুলনা বিভাগে ৩০৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন এবং বরিশাল বিভাগে ২১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ১০৫ জন, ময়মনসিংহে ৯৮ জন এবং রংপুর বিভাগে ৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকাতেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ২০৬ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ২২৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ৮৮ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনাও অব্যাহত থাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন বিভাগে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসাব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
Posted ১২:২২ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
9 News Bd | s s