নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট

দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ক্রমে একটি করে প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৮৫টি প্রতিবন্ধী স্কুল চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আয়োজিত প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করছে। সেখানে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে এবং কেউ পিছিয়ে থাকবে না। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শুধু সুরক্ষার আওতায় নয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেও সরকার বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।
তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবারে অনেক সময় অভিভাবকদের সন্তান লালন-পালনে বেশি সময় দিতে হয়। ফলে তারা স্বাভাবিক কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হতে পারেন না। এসব অভিভাবক যাতে ঘরে বসে বা উপযোগী পরিবেশে আয় করতে পারেন, সে বিষয়েও সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ভাতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকারভোগীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট থেকে আগে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ১১ কোটি টাকা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানান। তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ থাকবে।
পরে মন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৯২ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীর কাছে গিয়ে বিশেষ অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব মো. কামরুজ্জামান (দুলাল)। এ ছাড়া পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Posted ২:০০ পিএম | সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
9 News Bd | s s


