শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে কৃষকের আয় বাড়ানোর ওপর জোর

রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

বগুড়া প্রতিনিধি   |   শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট

রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

রাজনৈতিক বিতর্কের পরিবর্তে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারলে কৃষকের আয় বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

শনিবার বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-তে আয়োজিত ৩৬তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আগে মন্ত্রী আরডিএ উদ্ভাবিত সবুজ প্রযুক্তি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং একটি লটকন গাছের চারা রোপণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে রাজনৈতিক আলোচনা যতটা গুরুত্ব পায়, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সাফল্য ততটা আলোচনায় আসে না। অথচ কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গবেষকদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এ কারণে গবেষণার ইতিবাচক দিকগুলো গণমাধ্যমে আরও বেশি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, কৃষকের প্রধান সমস্যা উৎপাদন নয়; বরং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কার্যকর বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও প্রয়োজন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কৃষি খাতের উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাড়াতে হবে। গবেষণার ফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানো, অপচয় রোধ এবং কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন সম্ভব হলে কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন ব্যবস্থায় নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি হলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন।

তিনি আরও বলেন, টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য গবেষণা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনকে বাস্তবমুখী করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা সম্ভব।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হক বক্তব্য দেন। এ সময় পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১১:৩৪ এএম | শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
------
Contact

-----------------

ফোন : --------------------

E-mail: -----------------------