বিজ্ঞপ্তি | রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও উদ্যোক্তা এম এ কাশেম। ৯ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৯৬তম সভায় পরিচালকদের সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।
এম এ কাশেম সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা পরিচালক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
এম এ কাশেম নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি চারবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির ফাউন্ডেশনের এন্ডাওমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রোজ কর্নার (প্রাইভেট) লিমিটেডের চেয়ারম্যান।
দেশের ব্যবসায়ী সমাজের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি এম এ কাশেম সংগঠনটির সালিসি ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সাবেক চেয়ারম্যান।
এম এ কাশেম দীর্ঘদিন উপমহাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ভেষজ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ছিলেন। দরিদ্র রোগীদের নাক, কান ও গলার চিকিৎসাসেবায় কাজ করা সোসাইটি ফর অ্যাসিসট্যান্ট টু হিয়ারিং ইমপেয়ার্ড চিলড্রেনের (সাহিক) ট্রাস্টের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির আজীবন সদস্যও তিনি।
ব্যবসা ও শিল্প খাতে অবদানের পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজসেবায়ও এম এ কাশেমের ভূমিকা রয়েছে। রপ্তানিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরে ‘প্রেসিডেন্ট এক্সপোর্ট ট্রফি’ অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে শিল্প খাতে অবদানের জন্য ‘সিআর দাস স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।
রাজস্ব খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তাঁকে ২০১১ সালে এবং ২০১৬-১৭ সালে সর্বোচ্চ করদাতার পুরস্কারে ভূষিত করে। উচ্চশিক্ষার প্রসারে অবদানের জন্য তিনি ‘আবু রুশদ স্মৃতি’ পুরস্কারও পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারণেও এম এ কাশেম বিভিন্ন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ফার ইস্টার্ন দেশগুলোতে এফবিসিসিআইয়ের ২০ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) পৃষ্ঠপোষকতায় পাঁচ সদস্যের সরকারি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৯৮৫ সালে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ভুক্ত (ইইসি) দেশগুলোতে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলেরও নেতৃত্ব দেন।
শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অবদান রয়েছে। নিজ এলাকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে তিনি এম. কাশেম ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। ট্রাস্টের উদ্যোগে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় তাঁর প্রয়াত সন্তানের নামে ‘তারেক মেমোরিয়াল হাসপাতাল’ নামে ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ট্রাস্টের মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও উপবৃত্তিও দেওয়া হয়।
ছাগলনাইয়ার দারোগারহাটে তিনি ‘কাশেম কমপ্লেক্স’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এর আওতায় রয়েছে মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ, পাবলিক কবরস্থান ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণকেন্দ্র। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সেখানে বিনামূল্যে আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
এম এ কাশেম কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব, বারিধারা কসমোপলিটান ক্লাব, গুলশান ক্লাব, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ওয়েস্ট, ন্যাশনাল শুটিং ক্লাব, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং চট্টগ্রাম শিশু হাসপাতালের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ব্যাংকটির পরিচালনায় তাঁর নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকল।

Posted ১০:৪৬ এএম | রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
9 News Bd | s s


