| মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট
আর্থিক খাত সংস্কার ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার চার স্তরের একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর পর্যন্ত একটি মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল অর্থ বিভাগের কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল সভায় এই কৌশল চূড়ান্ত হয়।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে রাখা হয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে মূল্যস্ফীতিতে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৪.১০ শতাংশে উঠলেও ২০২৬ সালের মার্চ শেষে তা কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি। ১৫ এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী, দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪,৮৭৩.৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ৩০,২০১.৭১ মিলিয়ন ডলার।
টাকার অবমূল্যায়নের কারণে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের মূলধনের চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীল খাতকে সচল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পৃথক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ‘পুঁজিবাজার সংস্কার কমিশন’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজার আধুনিকায়নে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এছাড়া, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মুদ্রা সরবরাহ (এম-টু) ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রবাসী বিনিয়োগ সহজ করতে ‘ইনভেস্টমেন্ট গেটওয়ে’ চালু এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
Posted ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
9 News Bd | s s