| শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত “বাণিজ্য নির্ভর বাংলাদেশের জন্য সমন্বিত বন্দর এবং লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভা ৯ মে ২০২৬ ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এর মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ।
সভায় বক্তারা বলেন, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বন্দর ব্যবস্থাপনায় ধীরগতি, কোল্ড-চেইন সুবিধার ঘাটতি এবং সমন্বয়হীনতার কারণে দেশের রপ্তানি ও ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আধুনিক, দক্ষ ও সমন্বিত লজিস্টিকস ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, বন্দরগুলোতে পেপারলেস ও অটোমেটেড ব্যবস্থা চালু, পিপিপির মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক কোল্ড-চেইন লজিস্টিকসে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।
বিআইএম মহাপরিচালক মো. সলিম উল্লাহ বলেন, সমন্বিত বন্দর ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, দেশের লজিস্টিকস খরচ ২৫ শতাংশ কমানো গেলে রপ্তানি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ব্যয় ১ শতাংশ কমানো সম্ভব হলে রপ্তানি ৭ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি রপ্তানি বহুমুখীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতিগত সংস্কার এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য মো. হাবিবুর রহমান রেলভিত্তিক পণ্য পরিবহন সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সরকারি সংস্থার কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রতিনিধিরা কাস্টমস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল লজিস্টিকস সেবা এবং মাল্টিমোডাল লজিস্টিক হাব উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই নেতৃবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted ১০:৪০ এএম | শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
9 News Bd | s s


