শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
নতুন জোটে তেহরানের উত্থান

ইরানের দাবি: ২০ দিনের মধ্যেই ‘ব্যর্থ’ মার্কিন নৌ অবরোধ

  |   বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট

ইরানের দাবি: ২০ দিনের মধ্যেই ‘ব্যর্থ’ মার্কিন নৌ অবরোধ

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত তথাকথিত নৌ অবরোধ মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সংস্থাটির গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, এই অবরোধ শুধু ইরানকে ঘিরে নয়, বরং চীন, রাশিয়া ও ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণের একটি বৃহৎ ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ ছিল—যা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বার্তায় আইআরজিসি জানায়, তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ‘বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা’ কৌশল থেকে সরে এসে ‘বাধা সৃষ্টির’ নীতি গ্রহণ করে। এই নৌ অবরোধ সেই কৌশলেরই অংশ ছিল, যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

তবে সংস্থাটির দাবি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হোয়াইট হাউসও বুঝতে পারে যে কৌশলটি কার্যকর হচ্ছে না। বরং তেহরান এখন একটি তথাকথিত ‘অস্থিতিশীলতাবিরোধী জোট’-এর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনাকে চ্যালেঞ্জ করছে।

সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আইআরজিসি আরও দাবি করে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর ‘বিনা উসকানিতে’ হামলা চালায়। ওই হামলায় দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে উল্লেখ করা হয়। একই দিনে মিনাব এলাকায় একটি স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৬৮ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এর জবাবে ইরান ৪০ দিনের মধ্যে প্রায় ১০০ দফা পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়। আন্তর্জাতিক একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে, এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের জন্য পারস্পরিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এরপর ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য বলছে, এই সংঘাতে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হয়েছেন এবং ২৬ জন নিহত হয়েছেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১:১১ পিএম | বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
------
Contact

-----------------

ফোন : --------------------

E-mail: -----------------------