নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘International Seminar on Community Based Safeguarding and Knowledge Exchange for Cultural Heritage’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শুধু স্থাপনা বা প্রত্নসম্পদে সীমাবদ্ধ নয়; লোকাচার, উৎসব, সংগীত, নৃত্য, কারুশিল্প, লোকজ জ্ঞান ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্যেও জাতির সাংস্কৃতিক পরিচয় নিহিত থাকে। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণে স্থানীয় মানুষের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক শক্তি। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনধারা ও উৎসবে বৈচিত্র্য থাকলেও জাতীয় পরিচয় ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে সবাই অভিন্ন। নৌকাবাইচ, লোকসংগীত, লোকনৃত্য ও লোকজ উৎসব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলে। এসব আয়োজন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
তরুণদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বাড়লে সৃজনশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাদকসহ নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতেও সহায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব। এতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম, ইউনেস্কোর প্রতিনিধি, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী হাজং ও মণিপুরি সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।

Posted ৩:৪৬ পিএম | শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
9 News Bd | s s


