শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ খোঁজার ওপর গুরুত্ব

বাংলাদেশ–ভারত যৌথ কার্যদলের বৈঠক শুরু

ফোকাসবাংলা২৪ ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট

বাংলাদেশ–ভারত যৌথ কার্যদলের বৈঠক শুরু

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারত যৌথ কার্যদলের দুই দিনব্যাপী বৈঠক বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক বাধা দূর করা, বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের শুল্ক পুনর্বিবেচনা এবং আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক করাই এবারের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিচ্ছে। দুই দেশের বাণিজ্যঘাটতি কমানো, আমদানি-রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন শুল্ক এবং ভারত থেকে সুতা আমদানিতে বাংলাদেশের বিধিনিষেধও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি স্থলবন্দর ও সীমান্ত অবকাঠামো, সীমান্ত হাট, রেলপথে পণ্য পরিবহন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের বিষয়ও উঠবে।

যৌথ কার্যদলের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায়। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হলে নিয়মিত এই বৈঠক নির্ধারিত সময়ে হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের বড় প্রভাব পড়েছে স্থলবন্দরে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ কয়েকটি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় সুতা আমদানির সুবিধা বন্ধ করে দেয়। এর পর ভারতও বাংলাদেশি তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক, পাট ও কিছু বস্ত্রপণ্যের স্থলপথে আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

এর প্রভাব পড়েছে বেনাপোল বন্দরের রপ্তানিতে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এই বন্দর দিয়ে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫৮ টন, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৪০ টন। তবে রপ্তানি আয় প্রায় অপরিবর্তিত ছিল—১৭৫ কোটি ডলার বনাম আগের অর্থবছরের ১৭৬ কোটি ডলার।

এদিকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পাটপণ্যে সংশোধিত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক নির্ধারণ করেছে ভারত। বাংলাদেশি পাটের সুতা ও টুইনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি টনে ৪৪৫ ডলার। এ বিষয়টিও বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তোলা হবে।

এর আগে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনায় স্থলবন্দরের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, অশুল্ক বাধা দূর করা এবং বাতিল হওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পুনরায় চালুর সুপারিশ করা হয়।

দুই দিনের বৈঠকে এসব বিষয়ে অগ্রগতি এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ খোঁজার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৬:১১ এএম | বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
------
Contact

-----------------

ফোন : --------------------

E-mail: -----------------------