ফোকাসবাংলা২৪ ডেস্ক | বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট

পৃথিবীর বার্ষিক গতি ও অক্ষের কৌণিক ঢালের কারণে মূলত ঋতু পরিবর্তন হয়। বছরে দুবার সূর্য বিষুবরেখার ঠিক ওপর অবস্থান করে—মার্চে মহাবিষুব এবং সেপ্টেম্বরে জলবিষুব। এই সময় পৃথিবীর দুই গোলার্ধে সূর্যের আলো প্রায় সমানভাবে পড়ে। ফলে বিশ্বের অধিকাংশ স্থানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়ে আসে।
আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য বিষুবরেখার ওপর প্রায় লম্বভাবে অবস্থান করছে। ফলে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যের আলো পড়ছে প্রায় সমানভাবে। দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য ঠিক ১২ ঘণ্টা করে না হলেও এ সময় আলো ও অন্ধকারের ভারসাম্য সবচেয়ে বেশি থাকে।
সাধারণত পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় তার অক্ষ প্রায় ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি কাত হয়ে থাকে। এ কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে দুই গোলার্ধে সূর্যের আলো ও তাপের পরিমাণে পার্থক্য দেখা দেয়। বিষুবের সময় এ পার্থক্য সবচেয়ে কমে আসে।
সেপ্টেম্বরের বিষুবের পর উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। বিপরীতে দক্ষিণ গোলার্ধে দিনের আলো বাড়তে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ডিসেম্বরের শীতকালীন অয়নান্তে উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে ছোট দিনের দেখা মিলবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়াবিজ্ঞানে ঋতু গণনার পদ্ধতিও ভিন্ন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ঋতু নির্ধারিত হয় পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ ও অক্ষের অবস্থানের ভিত্তিতে, আর আবহাওয়াবিজ্ঞানে তাপমাত্রার বার্ষিক চক্রের ভিত্তিতে ঋতু গণনা করা হয়।
বিষুব ও অয়নান্তের এই নিয়মিত পরিবর্তন পৃথিবীর জলবায়ু, আবহাওয়া ও জীববৈচিত্র্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

Posted ১:২০ পিএম | বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
9 News Bd | s s


