নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে শক্তিশালী মেধাস্বত্ব অধিকার (আইপিআর) কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল শিফট ইন দ্য পোস্ট-এলডিসি ইরা: স্ট্র্যাটেজিস ফর আইপিআর ইস্যুজ অব কি ইন্ডাস্ট্রিজ’ শীর্ষক ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনে এ বিষয়টি উঠে আসে। সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রজেক্ট (এসএসজিপি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এ আলোচনা আয়োজন করে।
আলোচনায় বলা হয়, এলডিসি উত্তরণের পর শুধু উৎপাদন ও পণ্যের পরিমাণের ওপর নির্ভর না করে উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য মেধাস্বত্বের কার্যকর সুরক্ষা ও প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আইপিআর ব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে একটি আধুনিক ও কার্যকর ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিস অব বাংলাদেশ’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিশেষায়িত আইপি ট্রাইব্যুনাল বা বেঞ্চ গঠন এবং কাস্টমস ও পুলিশের জন্য বিশেষায়িত আইপিআর প্রশিক্ষণের সুপারিশ করা হয়।
আলোচনায় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া পুরোপুরি ডিজিটাল করার পাশাপাশি ওষুধ ও জৈবপ্রযুক্তির মতো বিশেষায়িত খাতে দক্ষ পরীক্ষক নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তি হস্তান্তর অফিস গঠন, এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে আইপিআর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মেধাস্বত্বের অর্থনৈতিক মূল্য বিবেচনায় অর্থায়নের সুযোগ তৈরির প্রস্তাবও উঠে আসে।
বক্তারা ডিজিটাল পাইরেসি মোকাবিলায় কার্যকর ‘নোটিশ অ্যান্ড টেকডাউন’ ব্যবস্থা এবং সাইবার বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন।

Posted ৬:৪৩ এএম | সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
9 News Bd | s s


