| সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট
আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। আগের বছরের মতো এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সম্ভাবনা আপাতত থাকছে না।
সরকার পরিবর্তনের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের পর একাদশ শ্রেণিতেও একই ধরনের ব্যবস্থা চালু হতে পারে—এমন আলোচনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বিদ্যমান পদ্ধতিই বহাল রাখার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের দু-এক দিনের মধ্যেই চলতি বছরের একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা ও সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত তখনই জানানো হবে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১০ আগস্ট। আগে ২০ জুলাই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
বর্তমান পদ্ধতি অনুযায়ী, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে অনলাইনে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রম অনুযায়ী নির্বাচন করতে হবে। পরে শিক্ষার্থীর ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
এই কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম দেশের অধিকাংশ কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রযোজ্য হলেও নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব ভর্তি পদ্ধতি অনুসরণ করে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে পৃথক প্রক্রিয়ায় ভর্তি সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটাব্যবস্থা নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা থাকলেও সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সামগ্রিকভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এ মুহূর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালু করলে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে এবং স্বল্প সময়ে নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করাও কঠিন হবে। তাই বিদ্যমান অনলাইনভিত্তিক ভর্তি ব্যবস্থাই বহাল রাখা হচ্ছে।
Posted ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
9 News Bd | s s