রবিবার ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

বিকাশ, নগদ ও রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি নয়, জানতে চেয়ে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট

বিকাশ, নগদ ও রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি নয়, জানতে চেয়ে রুল

মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও রকেটের আরোপিত সার্ভিস চার্জের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গ্রাহক সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পৃথক ‘মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল দেন।

রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, বিকাশ, নগদ ও রকেটের আরোপিত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি, অসাংবিধানিক এবং বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২-এর পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি মোবাইল আর্থিক সেবায় সার্ভিস চার্জ নিয়ন্ত্রণ, গ্রাহকদের জন্য যুক্তিসঙ্গত, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করা এবং কার্যকর জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র ‘মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন গত ১০ জুলাই জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই আদালতে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ।

শুনানিতে রিট আবেদনকারী বলেন, বর্তমানে মোবাইল আর্থিক সেবাগুলো বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে বিকাশ, নগদ ও রকেট গ্রাহকদের কাছ থেকে যে হারে সার্ভিস চার্জ আদায় করছে, তা প্রবিধানমালার উদ্দেশ্য ও বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি যুক্তি দেন, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি নেওয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে এক লাখ টাকা স্থানান্তরে সাধারণত প্রায় ১০ টাকা চার্জ দিতে হয়। অন্যদিকে মোবাইল আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে শতাংশভিত্তিক চার্জ আদায় করা হয়। ফলে একই পরিমাণ অর্থ অন্য ব্যাংকে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার টাকায় ১০ টাকা হিসেবে এক লাখ টাকার জন্য প্রায় এক হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ গুনতে হয়।

রিট আবেদনকারীর দাবি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস মূলত ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় আনার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। অথচ বর্তমানে এ খাতে উচ্চহারে সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে, যা এমএফএস প্রবিধানমালার ২ ও ৯ নম্বর বিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণেই বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে তিনি রিট আবেদন করেন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ২:১২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
শুভ শাহরিয়ার
Contact

৫৫-৫৫/১, রমনা, ঢাকা, বাংলাদেশ।

ফোন : +৮৮০১৯৭১৪৫৮২৫৭

E-mail: info@focusbangla24.com, focusbangla24online@gmail.com