ডেস্ক রিপোর্ট | বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। টানা তিন ম্যাচেই গোল করে ব্রাজিলকে এনে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে জোড়া গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধানের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তার নৈপুণ্যে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিল। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা সেলেসাওরা প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড নেয়। দুটিই আসে ভিনিসিয়ুসের পা থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়ান মাথেউস কুনহা।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনার ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস। গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে পরাস্ত করে সহজেই জালে বল পাঠান তিনি।
এর কিছুক্ষণ পর আবারও বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল থেকে বঞ্চিত হন ভিনিসিয়ুস। স্কটিশ ডিফেন্ডারকে চ্যালেঞ্জ করার সময় ফাউল করায় গোলটি বাতিল করা হয়।
তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবারও উদযাপনে মাতেন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকেরা। ব্রুনো গিমারায়েসের ক্রস থেকে পেছনের পোস্টে দারুণ এক হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস। ফলে বিরতিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। ৬১ মিনিটে কুনহার গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। এরপর স্কটল্যান্ড আর ম্যাচে ফেরার কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ ৩২ মাস পর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামেন অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ড। ৭৬ মিনিটে কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামার সময় গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। যদিও প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি।
তবু ব্রাজিলের জন্য রাতটি ছিল পুরোপুরি আনন্দের। ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, দলের আক্রমণাত্মক ফুটবল এবং নেইমারের প্রত্যাবর্তন—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়েই নকআউট পর্বে পা রাখছে সেলেসাওরা।

Posted ৪:০৩ এএম | বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
9 News Bd | s s


