রবিবার ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

বাতিল অধ্যাদেশ নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ অভিযোগ, যাচাই-বাছাইয়ের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

  |   রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট

বাতিল অধ্যাদেশ নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ অভিযোগ, যাচাই-বাছাইয়ের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া এবং বাতিল করা অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনার জবাবে সরকার বলেছে, এসব বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হবে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেছেন, বিরোধীদলীয় নেতারা বিষয়টি নিয়ে “বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন”।

রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সংসদে উত্থাপিত মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি অপরিবর্তিতভাবে পাস হয়েছে, ১৩টি সামান্য সংশোধন করে গৃহীত হয়েছে এবং ৭টি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। এছাড়া ১৬টি অধ্যাদেশ উপস্থাপনই করা হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ১১০টিকে বিল আকারে এনে ৯১টি বিলের মাধ্যমে সংসদে পাস করা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, রহিত হওয়া অধ্যাদেশগুলো একেবারে বাতিল করে দেওয়া হয়নি; বরং এগুলোর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আরও আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, কোনো আইন বিল আকারে সংসদে পাস হলে— রহিতকরণ বিল হলেও—তা আইনে পরিণত হয় এবং সেই আইনের মধ্যেই ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি যুক্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট আইনগুলো নিয়ে আরও পরামর্শ ও বিশ্লেষণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সংসদে তিনি লক্ষ্য করেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা পুরো বিষয়টি না পড়ে আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে সমালোচনা করছেন। তার দাবি, সরকার আইনের প্রস্তাবনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে এবং কোথাও কোনো অস্পষ্টতা রাখা হয়নি।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত আইন নিয়ে আগামী ১৫ মে’র পর আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা রয়েছে।

পূর্ববর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে জারি হওয়া ১২২টি অধ্যাদেশের মধ্যে মাত্র ৫৪টি আইনে পরিণত হয়েছিল, বাকিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। তুলনামূলকভাবে বর্তমান সরকার অধিকাংশ অধ্যাদেশ আইনে রূপ দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে আইনমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে সরকার সেই বিতর্কে না গিয়ে সংসদের মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আইনগুলো উপস্থাপন ও পাস করেছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১২:৪৫ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
শুভ শাহরিয়ার
Contact

-----------------

ফোন : --------------------

E-mail: -----------------------