ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় এক স্কুলছাত্রসহ অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বরগুনা, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, পিরোজপুর, বরিশাল ও চাঁদপুরে পৃথক এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই মাঠ থেকে গরু আনতে বা কৃষিকাজে ব্যস্ত ছিলেন।
বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের মস্তুকটানা এলাকায় কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হন কৃষক মো. মহিউদ্দিন (৪০)। সকালে বৃষ্টির মধ্যে জমিতে মাটি কাটার সময় তার ওপর বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে গরু আনতে গিয়ে প্রাণ হারান কৃষক মজিবর সরদার (৫০)। স্থানীয়দের ভাষ্য, বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফেরার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তিনি।
একই ধরনের ঘটনায় শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের মৃধাপাড়া গ্রামে মারা যান কৃষক মুছা হাওলাদার (৪৫)। দুপুরে গরু ফিরিয়ে আনতে মাঠে গেলে বজ্রপাতে আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী এলাকায় বজ্রপাতে নিহত হন ছোয়ারাব জোমাদ্দার (৫০)। আকস্মিক বৃষ্টি শুরু হলে তিনি মাঠে থাকা গরু খুঁজতে যান। সেখানে বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার উত্তর শিহিপাশা গ্রামে মাছের ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান তানভীর খান (১৮)। তিনি চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। বজ্রপাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের সাইসাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে নিহত হন দিনমজুর নবী হোসেন মিজি (২৭)। জুমার নামাজের আগে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নবী হোসেনের তিন মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Posted ২:০৮ পিএম | শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
9 News Bd | s s


