রবিবার ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

আদালতের বাইরে আসামির বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট

আদালতের বাইরে আসামির বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচারকালে আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিদের কোনো বক্তব্য দেওয়া এবং সেই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর এ আদেশ দেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, বিচারকের অনুমতি ছাড়া বা আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকা কোনো আসামির বক্তব্য দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, হেফাজতে থাকা কিংবা দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য প্রচার বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এটি আইন ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালার পরিপন্থী।

বিচারকার্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখা, জনমত প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা দূর করা এবং নিরাপত্তাজনিত স্বার্থ বিবেচনায় পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এদিন সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার সাক্ষ্যের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সাক্ষ্য দেন শিশুটির মা পারভীন আক্তার। রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। এছাড়া ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে নিহত শিশুর বড় বোনের সাক্ষ্যও গ্রহণ করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাসহ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন।

এর আগে সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী ও সহ-আসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। শুনানি শুরুর আগে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এজলাসে উপস্থিত করা হয়।

সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই দিন তদন্ত কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১৭ জন সাক্ষীকে তালিকাভুক্ত করেছে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৭:০২ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

9 News Bd |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
শুভ শাহরিয়ার
Contact

৫৫-৫৫/১, রমনা, ঢাকা, বাংলাদেশ।

ফোন : +৮৮০১৯৭১৪৫৮২৫৭

E-mail: info@focusbangla24.com, focusbangla24online@gmail.com